দেশটা জনগণের, সেনানিবাসের নয়

দেশে এখন নতুন এক নিয়ম চলছে—মানুষ মরে, সেনা হাসে; জনগণ কাঁদে, আর “রাষ্ট্র” নাকি শান্ত থাকে! কিন্তু মনে রাখুন, শান্তি বন্দুকের নল থেকে নয়, জনগণের বুক থেকে আসে।

যখন পাহাড়ে কিংবা শহরে নিরীহ মানুষ গুলি খায়, তখন সেনানিবাসের ভেতরে হয়তো নৈশভোজ চলে; কিন্তু বাইরে রাস্তায় যে রক্ত ঝরে, সেটাই একদিন দেয়াল ভেদ করে ঢুকে পড়ে ক্ষমতার ঘরে।

আমরা বলছি না, দেশে সেনা চাই না। আমরা বলছি, অপরাধী সেনা চাই না।

যে ইউনিফর্ম মানুষ মারতে শেখে, তাকে ইউনিফর্ম নয়, ইউনিফর্মের আদালতে পাঠানো উচিত।

যে রাষ্ট্রে বাবা সন্তানের হত্যার বিচার পায় না, সেখানে জনগণই একমাত্র বিচারক। জনগণের কণ্ঠকে দমন করে কখনোই রাষ্ট্র টিকে থাকে না—ইতিহাস বারবার তা প্রমাণ করেছে।

তাই বলি, এই দেশ জনগণের, বন্দুকধারীদের নয়।
জনগণের রক্তে গড়া পতাকা এখন কলঙ্কিত ইউনিফর্মে জড়িয়ে গেছে।

অপরাধী সেনারা যদি আজও অজুহাতের আড়ালে বেঁচে থাকে, তবে কাল তাদের বিচারের মঞ্চ তৈরি করবে জনগণ নিজের হাতে।

আর সেই দিন, আদালত বসবে রাজপথে- বিচারক হবে জনতা, সাক্ষী হবে শহীদের রক্ত আর রায় লেখা হবে একটাই কথায়, “এই দেশ সেনানিবাসের নয়, এই দেশ জনগণের!”


Leave a Reply