
গাজা আজ ধ্বংস। হামাস নামের একদল লোক নিজেদেরই ঘরবাড়ি উড়িয়ে দিয়েছে। তারা নাকি মুক্তি চায়, কিন্তু যে পথে যায়, সেখানে শুধু আগুন আর ধ্বংস রেখে যায়। এক সময় যে জায়গায় শিশুরা খেলত, এখন সেখানে ধোঁয়া আর কান্না। মানুষ বাঁচাতে গিয়ে মানুষই মরছে। হামাসের রাজনীতি এখন মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে।
পাহাড়ও ধ্বংসের পথে। একসময় যে পাহাড় ছিল সবুজ আর শান্ত, সেখানে এখন দখলদারদের রাজত্ব। যারা শান্তির কথা বলে, তারাই পাহাড়িদের জমি দখল করে নিচ্ছে। তারা বলে, “আমরাও এখানকার মানুষ।” কিন্তু যেভাবে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে, গাছ কেটে, মানুষ তাড়িয়ে তারা “নিজের মানুষ” হতে চায়—তাতে শুধু ভয় আর ঘৃণা বাড়ে। পাহাড় আজ নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ সেটলাররা তার বুকের ওপর বসে আছে।
আর আমাদের দেশ?
দেশটা আজ ইউনুসে নষ্ট। তিনি নাকি পরিবর্তন আনবেন, কিন্তু আসলে সবকিছু উল্টে দিয়েছেন। কোথাও কাজ নেই, কোথাও ন্যায় নেই, শুধু বক্তৃতা আর প্রতিশ্রুতি। যে সরকার জনগণের কথা বলার কথা ছিল, তারা এখন জাদুঘর বানাচ্ছে—যেখানে থাকবে কলম আর ছবি, থাকবে ইতিহাস, কিন্তু থাকবে না জীবিত মানুষ। দেশটা এখন এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়েছে যেখানে সবাই ক্লান্ত, কিন্তু কেউ থামতে পারছে না।
গাজায় বোমা পড়ে, পাহাড়ে দখল হয়, আর দেশে প্রতারণা চলে—সব জায়গায় একটাই গল্প, ধ্বংসের। পার্থক্য শুধু নামের। কেউ হামাস, কেউ সেটলার, কেউ ইউনুস। কিন্তু কাজ এক—মানুষকে ছোট করা, ভয় দেখানো, আর নিজের স্বার্থে দেশকে বিক্রি করা।
আমরা এখন এমন এক সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি, যেখানে হাসলে মনে হয় কাঁদছি, আর কাঁদলে মনে হয় ব্যঙ্গ করছি। গাজার মানুষ যেমন বাঁচতে চায়, পাহাড়ের মানুষও চায় নিজের ঘরে ফিরতে, আমরাও তাই চাই—একটা সোজা, স্বাভাবিক দেশ যেখানে মানুষ জাদুঘরে নয়, জীবনে জায়গা পাবে।