মৃত্যুর ভয়ে পালিয়ে গিয়ে কেউ অমর হয় নি। যুদ্ধে গিয়ে সবায় মারা যায় নি। কেউ কেউ ফিরে আসে।
সত্য কথা বলে অত্যাচারী সবাইকে মেরে ফেলতে পারে নি। সত্য কথা বলতে সবাই ভয় পায় না। আবার কেউ কেউ নিজের ঘরে চোর এসেছে দেখে বিছানায় প্র/.. করে। মানুষের যেমন পার্থক্য থাকে সাহসেরও পার্থক্য থাকে। আমি সেটা সম্মান করি।
আমাকে অনেকে লিখে আমার লেখার জন্য তাদের অসুবিধা হয়। আমি তাদের কাছে আমার ‘ক্ষমা প্রার্থনা’ ছাড়া কিছুই দিতে পারি না।
আজ আমি, আপনি সত্যি কথা বলতে ভয় পাই, ভাবি সেটলার আমাকে প্রাণে মারবে। এমনকি যারা সত্যি লিখে তাদের আমরা লাইক পর্যন্ত দিতে পারি না।
তবে কি তারা অমর হয়? আমরা অমর হবো?
মৃত্যুকে রোধ করার কেউ নেই। দুর্ঘটনায় মরতে পারেন, হার্ট অ্যাটাকে মরতে পারেন, ঘুমে মরতে পারেন। তবে কেন এত ভয়?
আমি বাহাদুরি করি না। আমাকে মারার কয়বার প্লান করা হয়েছে, কতবার গুলি করা হয়েছে কিন্তু আমি এখনো বেঁচে আছি। মৃত্যু কারো হাতে না।
তাই মৃত্যুর ভয়ের কথা নিজের কাছে না রেখে নিয়তির কাছে ছেড়ে দিন। সাহস পাবেন। আনন্দ পাবেন। জীবনটা উপভোগ করতে পারবেন।
পৃথিবীর বাকস্বাধীনতার মত স্বাধীনতা আর কিছু নেই। আপনি যা বলতে চান তা নির্ভয়ে বলে দেখুন শান্তি পাবেন। একজন শিশু যখন জন্ম গ্রহণ করে প্রথম যে স্বাধীনতা সে চর্চা করে তা হচ্ছে বাকস্বাধীনতা।
আজ কেন আপনি আপনার জীবনের সেই প্রথম স্বাধীনতাকে বিসর্জন দিয়ে নীরব থাকেন? কথাগুলো অনেকের বোধগম্য হবে না। কিন্তু যারা সাহসী তারা জানেন, বিষয়টি কত গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা যুদ্ধ করছি না। সেটলার আমাদের অত্যাচার করে সেটা কেউ লিখে আর আমি যদি সেখানে একটি লাইক দিতে ভয়ে আড়ষ্ট হই, তাহলে আমার বেঁচে থাকার অধিকার কোথায়?
রাগ করলেন?
বলুন, আমি শুনব। গালি দিন আমি হজম করবো।
ধন্যবাদ।