
উত্তরটা সবাই না জানলেও পাহাড়ের সচেতন সমাজ বিষয়টি টের পেয়েছে। বিষয়টি ক্রমশ পরিষ্কার হবে। কিন্তু কেউ বলতে চাইছে না।
এটি জটিল এমন নয়, বরং ভয়ের। মনে হচ্ছে সাধারণ কর্মীরা বিষয়টি জানে না। তারা নেতাদের কথায় স্বপ্নে বিভোর রয়েছে।
ভুরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যারা চোখ খোলা রেখেছে তারা না দেখেও বুঝতে পারছে পাহাড়ে কি হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে আগেও অনেক লিখেছি। কিন্তু আমার মতো সাধারণ মানুষের কথা শুনার মতো মানুষ নেই।
ফুটবল খেলায় মানুষ সব সময় ভালো খেলোয়াড়ের দলে খেলতে চায়। শিকারে মানুষ সব সময় সেরা হাতিয়ার নিয়ে যায়। বিশ্ব রাজনীতি খেলায় দেশ সব সময় মানবাধিকার রক্ষাকারী দলকে বেছে নেয়। আর সেই ভুরাজনীতির দেশ যদি ভারত বা ইসরায়েল হয়, তাহলে এই কথা 100% গ্যারান্টি।
এখানে ভারত আর বাংলাদেশের দ্বন্দ্ব চলছে। সঙ্গে যোগ হয়েছে পাকিস্তান এবং ইসলামী দেশের সংগঠন গুলো। কাজেই কান টানলে মাথা আছে। ইসলামী দলের বিপরীতে সবসময় ইসরায়েল অবস্থান করে। তাই ভারতের সহায়ক শক্তি এখন ইসরায়েল।
তাছাড়া রাশিয়া তো ভারতের পাশে আছেই।
পাহাড়ের দলগুলির মধ্যে যারা এর বিপরীত স্রোতে থাকবে তারা মাথা তুলতে পারবে না। সেটা স্পষ্ট।
আমার কথা আজ না মানলে কি হবে আগামীকাল মেনে নিতে হবে। এটা ভুরাজনীতি। দেখতে দেখতে ৫০টি বছর পার করেছি।
এই ভুরাজনীতির খেলায় পাহাড়ের রাজনীতি ৮ মাস আগে মোড় ফিরেছে। সরকারি দালাল যারা আছে, তারা কাজ না করলে মাইনাস করে দেবে। খাগড়াছড়ির ‘মগ পার্টি’র নেতার কথা মনে আছে তো?
সেটা এখনো পাহাড়ের জনগণ বুঝতে পারেনি। খেলা এখনো সোজাসাপটা হয়নি। বিষয়টি এখনো অন্তরালে চলছে। পরিষ্কার হতে আরও কয়েক মাস লেগে যেতে পারে।