বুর্কিনা ফাসোর নতুন পথ — নির্বাচন নয়, পুনর্গঠন আগে

বুর্কিনা ফাসোর রাষ্ট্রপ্রধান ইব্রাহিম ট্রাওরে ঘোষণা দিয়েছেন, দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না যতক্ষণ না দেশ সত্যিকারের “ভালো” অবস্থায় ফিরে আসে।

তার ভাষায়, “নির্বাচনের নামে বিদেশি শক্তি আমাদের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। তারা এমন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করায় যাকে নিজেদের মতো চালাতে পারে।”

এই অভিযোগের পরপরই সরকার দেশটির নির্বাচন কমিশন “CENI” বিলুপ্ত করেছে। ট্রাওরে মনে করেন, জনগণের স্বার্থে নির্বাচন আয়োজন নয়, বরং রাষ্ট্রের কাঠামো পুনর্গঠনই এখন সবচেয়ে জরুরি।

তিনি বলেন, “এখন নির্বাচনের পেছনে অর্থ নষ্ট না করে দেশের কৃষি, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে।”

বুর্কিনা ফাসো বর্তমানে পশ্চিম আফ্রিকার এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে সামরিক নেতৃত্ব দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তে অনেকেই দেখছেন একধরনের ‘স্বাধীনতার পুনরুদ্ধার আন্দোলন’—যেখানে পশ্চিমা প্রভাবমুক্ত হয়ে আফ্রিকান দেশগুলো নিজেদের শক্তিতে দাঁড়াতে চাইছে।

ট্রাওরে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দেশ স্থিতিশীল ও প্রস্তুত হলে, জনগণের অংশগ্রহণে একটি সত্যিকারের স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ততদিন পর্যন্ত “বিদেশি নির্দেশে নয়, জনগণের প্রয়োজনে” দেশ চলবে।

👉অনেকে বলে, কখনও কখনও গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সাময়িক বিরতি প্রয়োজন হয়, যদি সেই বিরতি দেশের মর্যাদা ও স্বাধীনতা পুনর্গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন উঠছে-

🇧🇩বাংলাদেশের ইঊনুস সাহেবের সরকার কি একই গন্তব্য এবং উন্নয়ন বেছে নেবে?

🇧🇩যে পথে ট্রাওরে বিদেশি নিয়ন্ত্রণ থেকে দেশকে মুক্ত করছেন, বাংলাদেশ কি সেই সাহস দেখাবে?

🇧🇩নাকি এখনও বিদেশি মঞ্চের আলোতেই নিজেদের ভবিষ্যৎ খুঁজে যাবে?

আপনি কি বলেন?


Leave a Reply